সাম্প্রতিক প্রশ্ন এবং উত্তরসমূহ

আগরতলা মামলা দায়েরের পটভূমির ব্যাখ্যা দাও?
ছয় দফাভিত্তিক বাঙালির জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে নস্যাৎ করার প্রেক্ষাপটে আগরতলা মামলা দায়ের করা হয়েছিল। ছয় দফা দাবি ছিল পশ্চিম পাকিস্তানের শাসন ও শোষণ থেকে বাঙালির মুক্তির সনদ। এ কারণে ছয় দফা দাবি আদায়ে বাঙালি জাতি বাংলার অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে তীব্র গণআন্দোলন গড়ে তোলে। এ পরিস্থিতিতে সরকার কৌশলে বাংলার প্রধান নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে বাঙালির জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়।
মৌলিক শরীরস্থানবিদ্যা-১ এর প্রশ্নসমূহ কি?
১। ভেটেরিনারি এনাটমির সংজ্ঞা দাও।

২। ক্রেনিয়াল বলতে কী বোঝায়?

৩। আড়াআড়ি তল কী?

৪। গরুর সামনের পায়ের অস্থির নাম লেখ।

৫। গরুর পাকস্থলির প্রকাষ্টগুলো কী কী?

৬। গরুর দুধ দাঁতের ফর্মুলা লেখ।

৭। কশেরুকা কাকে বলে?

৮। মস্তিষ্ক কোন ক্যাভিটিতে থাকে?

৯। গরুর থোরাসিক কশেরুকার সংখ্যা কয়টি?

১০। অস্টিওলজির সংজ্ঞা দাও।

১১। অস্থির শ্রেণিবিন্যাস লেখ।

১২ ম্যাক্রোস্কোপিক এনাটমির সংজ্ঞা দাও।

১৩। কশেরুকার সংজ্ঞা দাও। কয়প্রকার ও কী কী?

১৪। স্কেলিটন কাকে বলে? শ্রেণিবিন্যাস লেখ।

১৫। ছাগলের কশেরুকার ফর্মুলা লেখ।

১৬। পেশীর সংজ্ঞা দাও ও প্রকারভেদ লেখ।

১৭। স্ত্রী প্রজননতন্ত্রের অঙ্গের নাম লেখ।

১৮। হৃৎপিণ্ডের প্রকোষ্ট ও কপাটিকা কয়টি ও কী কী?

১৯। গরুর পৌষ্টিকতন্ত্রের আনুযাঙ্গীক অঙ্গগুলোর নাম লেখ।

২০। ধমনী ও শিরার মাঝে পার্থক্য লেখ।

২১। সরল ও যৌগিক পাকস্থলি কী? এদের মাঝে পার্থক্য লেখ?

২২। উদাহরণসহ গবাদি প্রাণির অস্থিসন্ধির শ্রেণিবিভাগ কর।

২৩। গরুর রক্তসংবহন প্রক্রিয়া আলোচনা কর।

২৪। শ্বসনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গগুলোর বর্ণনা দাও।

২৫। গাভীর প্রজননতন্ত্রের বিভিন্ন অংশের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দাও।

২৬। বিভিন্ন প্রাণির শ্বসনতন্ত্রের মাঝে তুলনামূলক আলোচনা কর।
ময়লা শাড়ির পাড়টা কী রঙের ছিল?

  • ময়লা শাড়ির পাড়টা কী রঙের ছিল?
  • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
  • মমতাদি গল্পে কোন ঋতুর কথা বলা হয়েছে?
0 টি উত্তর
মমতাদির বয়স কত?
মমতাদির বয়স কত?
0 টি উত্তর
ঠাট্টা করে যে পথকে যমালয়ের পথ বলা হয়েছে তার আসল নাম কী?
ঠাট্টা করে যে পথকে যমালয়ের পথ বলা হয়েছে তার আসল নাম কী?
0 টি উত্তর
ইতিহাস বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো?

উদ্দীপকঃ- নবম শ্রেণির ছাত্র আবেদ সে তার দাদুর সাথে লালবাগের কেল্লা দেখতে যায়। দাদু তাকে সেখানকার বিভিন্ন নিদর্শন দেখিয়ে বলেন, এগুলোর প্রায় সবই ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। আর ইতিহাস রচনার উপাদান সাধারণত দু ভাগে বিভক্ত। যেমন- লিখিত উপাদান ও অলিখিত উপাদান। লিখিত ও অলিখিত উপাদানের সঠিক সমন্বয়ের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস রচনা সম্ভব।

  • ক. সাধারণত কোথায় ইতিহাসের উপাদান সংরক্ষিত থাকে?

ক) সাধারণত জাদুঘরে ও মহাফেজখানায় ইতিহাসের উপাদান সংরক্ষিত থাকে।

  • খ. ইতিহাস বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো?

খ) ইতিহাস বলতে আমরা বুঝি মানবসভ্যতার বিবর্তনের ধারাবাহিক বিবরণকে। ইতিহাসের উৎপত্তিগত অর্থ হলো ঐতিহ্য। গ্রিক শব্দ "Historia" থেকে ইংরেজি শব্দ History- নামে রূপান্তরিত হয়েছে। এর সহজ-সরল অর্থ হলো অনুসন্ধান বা গবেষণা। সে হিসেবে বলা যায়, ইতিহাস হচ্ছে অতীতের ঘটে যাওয়া ঘটনাবলির অনুসন্ধান ও বিবরণ। প্রকৃতপক্ষে কী ঘটেছিল কেবল তা-ই নয়; এর সাথে প্রকৃতপক্ষে কী ঘটেনি- এ দুই মিলেই ইতিহাস। ইতিহাসের প্রামাণ্য সংজ্ঞায় হেরোডোটাস বলেন, "ইতিহাস হলো যা সত্যিকার অর্থে ছিল বা সংঘটিত হয়েছিল তা অনুসন্ধান করা ও লেখা।"

  • গ. ইতিহাসের উপাদানসমূহ আবেদকে কীভাবে সঠিক ইতিহাস রচনায় সহায়তা করতে পারে? ব্যাখ্যা করো?

গ) উদ্দীপকে লক্ষ করলে দেখা যায়, ইতিহাসের উপাদানসমূহ দুই ভাগে বিভক্ত; যথা- লিখিত উপাদান ও অলিখিত উপাদান। লিখিত উপাদানের মধ্যে সাহিত্য, নথিপত্র, জীবনী প্রভৃতি অন্তর্ভুক্ত। আর অলিখিত উপাদান মূলত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। যেমন- মূর্তি, স্মৃতিস্তম্ভ, মুদ্রা, লিপি, ইমারত ইত্যাদি ইতিহাসের লিখিত উপাদানসমূহ তথা সাহিত্য, নথিপত্র, জীবনী প্রভৃতিতে পুরনো ঐতিহাসিক ঘটনাসমূহ লিপিবদ্ধ থাকে। বিভিন্ন রাজাবাদশাহদের জীবনী, সরকারি তথ্য, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা প্রভৃতি লিখিত উপাদানে পাওয়া যায়। এসব উপাদানের মাধ্যমে বিভিন্ন মানুষ ও সমাজের ইতিহাস জানা সম্ভব। একইভাবে প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান দ্বারাও ঐতিহাসিক তথ্য লাভ করা সম্ভব। প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান মানবজীবনের অতীত অগ্রগতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য দিতে পারে না। সেক্ষেত্রে অবশ্যই লিখিত উপাদানের ওপর নির্ভর করতে হয়। তবে লিখিত ও অলিখিত উপাদানের সমন্বয়ের মাধ্যমে অতীতের পূর্ণ প্রতিচ্ছবি নির্মাণ সম্ভব। তাই আলাদা আলাদাভাবে কোনো উপাদান নয় বরং লিখিত ও অলিখিত সমষ্টিগত উপাদানের সমন্বয় আবেদকে সঠিক ইতিহাস রচনায় সহায়তা করতে পারে বলে আমি মনে করি।

  • ঘ. "আজ আত্মপরিচয়ের সংকটের লগ্নে ইতিহাস পাঠ আমাদের জাতীয় দায়িত্ব"- উক্তিটির আলোকে ইতিহাস পাঠের প্রয়োজনীয়তা মূল্যায়ন করো?

ঘ) মানবসমাজের সভ্যতার বিবর্তনের সত্যনির্ভর বিবরণ হচ্ছে ইতিহাস। যে কারণে জ্ঞানচর্চার শাখা হিসেবে ইতিহাসের গুরুত্ব 'অসীম। ইতিহাস পাঠ মানুষকে অতীতের পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান অবস্থা বুঝতে, ভবিষ্যৎ অনুধাবন করতে সাহায্য করে। ইতিহাস পাঠের ফলে মানুষের পক্ষে নিজে ও নিজ দেশ সম্পর্কে মঙ্গল-অমঙ্গলের পূর্বাভাস পাওয়া সম্ভব। সুতরাং দেশ ও জাতির স্বার্থে এবং ব্যক্তি প্রয়োজনে ইতিহাস পাঠ অত্যন্ত জরুরি। নিচে ইতিহাস পাঠের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আলোচনা করা হলো-

১. জ্ঞান ও আত্মমর্যাদা বৃদ্ধি করে: অতীতের সত্যনিষ্ঠ, বর্ণনা মানুষের জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। আর এ বিবরণ যদি হয় নিজ দেশ, জাতির সফল সংগ্রাম, গৌরবময় ঐতিহ্যের তাহলে তা মানুষকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। একই সঙ্গে আত্মপ্রত্যয়ী, আত্মবিশ্বাসী হতে সাহায্য করে। সেক্ষেত্রে জাতীয়তাবোধ, জাতীয় সংহতি সুদৃঢ়করণে ইতিহাস পাঠের বিকল্প নেই।

২. সচেতনতা বৃদ্ধি করে: ইতিহাসের জ্ঞান মানুষকে সচেতন করে তোলে। বিভিন্ন মানবগোষ্ঠীর উত্থান-পতন এবং সভ্যতার বিকাশ ও পতনের কারণগুলো জানতে পারলে মানুষ ভালোমন্দের পার্থক্যটা সহজেই বুঝতে পারে। ফলে সে তার কর্মের পরিণতি সম্পর্কে সচেতন থাকে।

৩. দৃষ্টান্তের সাহায্যে শিক্ষা দেয় ইতিহাসের ব্যবহারিক গুরুত্ব অপরিসীম। মানুষ ইতিহাস পাঠ করে অতীত ঘটনাবলির দৃষ্টান্ত থেকে শিক্ষা নিতে পারে। ইতিহাসের শিক্ষা বর্তমানের প্রয়োজনে কাজে লাগানো যেতে পারে। ইতিহাস দৃষ্টান্তের মাধ্যমে শিক্ষা দেয় বলে ইতিহাসকে বলা হয় শিক্ষণীয় দর্শন। সত্যনিষ্ঠ ইতিহাস পাঠ করে যে জ্ঞানলাভ হয়, তা বাস্তব জীবনে চলার জন্য উৎকৃষ্টতম শিক্ষা। এছাড়াও ইতিহাস পাঠ করলে বিচার-বিশ্লেষণের ক্ষমতা বাড়ে, যা দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরিতে সাহায্য করে। ফলে জ্ঞানচর্চায় প্রতি আগ্রহ জন্মে।

পরিশেষে বলা যায়, ইতিহাস একটি জাতির ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক মূল্যকে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করে। সমাজ ও জাতির অগ্রগতির কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছতে ইতিহাসের জ্ঞান সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে এবং চেতনাবোধ জাগ্রত করে মানুষকে অনুপ্রাণিত করে।

মহিষের খাদ্য ও পুষ্টি সম্পর্কে লিখ?

  • রেশন বা রসদ- 

সাধারনত সুস্থ্য, সবল ও কর্মক্ষম জীবন যাপন করার জন্য ২৪ ঘণ্টায় একটি প্রাণীকে যে খাদ্য প্রদান করা হয়, একে রেশন বা রসদ বলে। মহিষের রেশনে খাদ্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত বিষয়সমূহ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে।

✓ সব খাদ্যদ্রব্য সহজলব্য এবং দামে তুলনামূলকভাবে সন্ধা হতে হবে

✓ রেশনে ব্যবহৃত খাদ্যদ্রব্য সুস্বাদু ও সহজপাচ্য হতে হবে

✓ রেশন প্রয়োজনীয় পরিমাণ আঁশ, আমিষ, শক্তি ও খনিজ পদার্থ থাকতে হবে। প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান সমূহ যাতে একাধিক খাদ্যদ্রব্য হতে আসে সেদিকে দৃষ্টি রাখতে হবে।

✓ রেশন অবশ্যই সুষম হবে অর্থাৎ প্রয়োজনীয় সব পুষ্টি উপাদান সঠিক মাত্রায় থাকবে

✓ রেশনের জন্য ব্যবহৃত খাদ্যদ্রব্য গুণগতমানে উন্নত হতে হবে

✓ রেশন প্রয়োজনীয় পরিমাণ হতে হবে।

মহিষের রেশন তৈরির সময় লক্ষ্য রাখতে হবে রেশন যাতে সুষম হয়। সুষম রেশন বলতে এমন খাদ্যাকে বুঝায় যাতে পুষ্টি উপাদান দেহের প্রয়োজনানুসারে বিদ্যমান থাকে। এই পুষ্টি উপাদনসমূহ হচ্ছে-

✓ আমিষ বা প্রোটিন খাদ্য।

✓ শ্বেতসার বা শর্করা খাদ্য

✓ স্নেহ বা চর্বি জাতীয় খাদ্য

✓ খাদ্যপ্রাণ বা ভিটামিন

✓ ধাতব লবণ বা খনিজ পদার্থ

✓ পানি

রেশন চার প্রকার।যথাঃ-

(ক) শরীর রক্ষানাবেক্ষণ রেশন- একটি মহিষের জীবন ধারনের অর্থাৎ বেচে থাকার নিমিত্তে যে পরিমাণ খাদ্যদ্রব্য দরকার হয়, একে মহিষের শরীর রক্ষার জন্য রেশন বলে।

(খ) উৎপাদনের জন্য রেশন- একটি মহিষের দুধ, মাংস, কাজ ইত্যাদি উৎপাদনের জন্য যে পরিমাণ খাদ্যদ্রব্য দরকার হয়, একে মহিষের উৎপাদনের জন্য রেশন বলে।

(গ) গর্ভধারণে জন্য রেশন- গর্ভবর্তী মহিষের গর্ভধারণের জন্য শেষ কয়েক মাসে ভ্রণের পুষ্টির জন্যঅতিরিক্ত যে খাদ্য সামগ্রীর দরকার হয়, একে মহিষের গর্ভধারণ রেশন বলে।

(ঘ) সুষম রেশন- একটি মহিষের শরীর রক্ষা ও উৎপাদনের জন্য যে নিদিষ্ট পরিমাণ খাদ্য সামগ্রীর দরকার হয়, একে মহিষের সুধম রেশন বলে। একটি মহিষকে কি পরিমাণ রেশন এবং রেশনে কোন কোন খাদ্য অন্তর্ভুক্ত করতে হবে তা নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর উপর নির্ভর করে।যথাঃ- শুষ্ক পদার্থ, পরিপাচ্য আমিষ এবং মোট পরিপাচ্য খাদ্য পুষ্টি।

ইলেকট্রনিক মিডিয়া কিভাবে কৃষি তথ্য সেবা প্রদান করে?

  • ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে কৃষি তথ্য সেবা-

 কৃষি তথ্য সার্ভিসের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ টেলিভিশনে মাটি ও মানুষ, বাংলার কৃষি এবং বিভিন্ন বেসরকারি চ্যানেলে সপ্তাহে ৬ দিন কৃষি অনুষ্ঠান হচ্ছে। এছাড়াও দেশের প্রয়োজনে প্রতিবেদন, সফল কাহিনী, সমস্যা ও সমাধন, টকশো, ডকুড্রামা, টেলপ, বিজ্ঞপ্তি সম্প্রচার করা হয়। বাংলাদেশ বেতারের ১২টি কেন্দ্র থেকে এ দপ্তরের তত্ত্বাবধানে জাতীয় ও আঞ্চলিক কৃষি বিষয়ক অনুষ্ঠান দৈনিক মোট প্রায় ১২ ঘণ্টার বেশি সম্প্রচারিত হচ্ছে। রেডিও টুডেতে কৃষি বিষয়ক অনুষ্ঠান হচ্ছে। বরগুনা জেলায় কমিউনিটি রেডিও বা কৃষি রেডিও স্থাপন করা হয়েছে। এসব অনুষ্ঠান কৃষি সংশ্লিষ্টরা দেখে ও শোনে কৃষি বিষয়ক সমস্যার সমাধান পাচ্ছে, কৃষি কাজে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে, জরুরি তথ্য, পূর্বাভাসসহ বিভিন্ন তথ্য দ্রুত পাচ্ছে।

  • কৃষি প্রামাণ্য চিত্র-

 কৃষি তথ্য সার্ভিস এ পর্যন্ত শতাধিক স্পট, ফিলার, ফিল্মসহ বিভিন্ন কৃষি তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর ভিডিও দেশের ১০টি অঞ্চলে সিনেমা ভ্যানের মাধ্যমে প্রদর্শন করে।

  • প্রশিক্ষণ-
 কৃষি তথ্য সার্ভিস কৃষিতে উন্নয়ন যোগাযোগ প্রযুক্তি হস্তান্তর কৌশল, ফটোগ্রাফি, ভিডিওগ্রাফি, ই-গভর্নেন্স, ই-কৃষি, কম্পিউটার ব্যবহারের ওপর প্রশিক্ষণ দেয়।
মানুষকে সামাজিক জীব বলা হয়েছে কেন?
মানুষ কখনও একাকী বসবাস করতে পারে না। সুষ্ঠুভাবে জীবনযাপন করার ক্ষেত্রে মানুষ একে অন্যের ওপর নির্ভরশীল। জীবনের নানা প্রয়োজন মেটানোর জন্য মানুষকে সমাজে রসবাস করতে হয়। তাছাড়া সুন্দর ও নিরাপদ জীবনের জন্যও মানুষ সমাজে বসবাস করে। এসব কারণেই মানুষকে সামাজিক জীব বলা হয়েছে।
প্রাচীন বাংলায় বাণিজ্যের প্রসার ঘটার কারণ ব্যাখ্যা করো?
প্রাচীনকাল থেকেই বাংলার চারদিক জুড়ে জালের মতো ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল অসংখ্য নদীনালা। এসব নদীনালা দিয়ে দেশের আনাচে-কানাচে পণ্য আনানেওয়া করা যেত। নদীপথে বিশেষ সুবিধার কারণে বিদেশের সাথে বাংলার বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। মূলত নদীপথে চলাচল ও মালামাল বহন সহজ ছিল বলেই প্রাচীন বাংলায় বাণিজ্যের প্রসার ঘটেছিল।
অপু তার খেলার সামগ্রী সবসময় লুকিয়ে রাখে কেন?
কেউ দেখে ফেলে, এই ভয়ে অপু তার খেলার সামগ্রী সবসময় লুকিয়ে রাখে।অপু তার খেলার সামগ্রীর অধিকাংশই পেয়েছে দিদির কাছ থেকে। কিন্তু কিছু কিছু সামগ্রী যেমন, রং ওঠা কাঠের ঘোড়া, টিনের ভেঁপু-বাঁশি প্রভৃতি অপু মায়ের অজ্ঞাতসারে লক্ষ্মীপূজার হাঁড়ির চুপড়ি থেকে খুলে নিয়েছিল। এগুলো মা দেখতে পেলে রাগ করবে। তাই অপু তার খেলার সামগ্রী সবসময় লুকিয়ে রাখে।
বাংলাদেশে দারিদ্র্য বিমোচনে গরু ও মহিষ পালনের গুরুত্ব কি?
গবাদিপশু ও মহিষ পালন বাংলাদেশের গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য আয় এবং খাদ্য নিরাপত্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। বাংলাদেশে দারিদ্র্য বিমোচনে গরু ও মহিষ পালনের গুরুত্ব-

১. আয়ের উৎস হিসেবে গবাদি পশুঃ- গরু ও মহিষ বাংলাদেশের ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য আয়ের একটি নির্ভরযোগ্য উৎস প্রদান করতে পারে, বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় যেখানে চাকরির সুযোগ সীমিত। কৃষকরা আয়ের জন্য দুধ, মাংস, চামড়া এবং অন্যান্য প্রাণিজ পণ্য বিক্রি করতে পারে। তদুপরি, এই পশুগুলো আর্থিক সংকটের সময়ে বিক্রি করা যেতে পারে যা কৃষকদের জন্য একটি সুরক্ষা জাল সরবরাহ করে।

২. খাদ্য নিরাপত্তাঃ- গবাদি পশুর দুধ ও মাংস প্রোটিন এবং অন্যান্য পুষ্টির গুরুত্বপূর্ণ উৎস যা মানব স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। গরু ও মহিষ দুধ ও মাংস এবং এদের জাত পণ্যগুলোর ধারাবাহিক সরবরাহ নিশ্চিত করতে সাহায্য করে, বিশেষ করে যারা এগুলো বাজার থেকে কেনার সামর্থ্য রাখে না। উপরন্তু, পশুদের হাল চাষ এবং পণ্য পরিবহনের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে যা কৃষকদের অতিরিক্ত সুবিধা প্রদান করে।

৩. কর্মসংস্থানের সুযোগ হিসেবে- গরু ও মহিষ পালন গ্রামীণ এলাকায় বিশেষ করে নারী ও যুবকদেও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। এই ব্যক্তিদেও পশুর যত্ন পরিষেবা প্রদানের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া যেতে পারে। যেমন- খাওয়ানো, বাছুরকে দুধ খাওয়ানো টিকা দেওয়া যা তাদের পরিবারের জন্য অতিরিক্ত আয় করতে পারে।

৪. পরিবেশগত সুবিধা পাওয়াঃ- প্রাণিসম্পদ জৈব সার সরবরাহ করে টেকসই কৃষিতে অবদান রাখতে পারে যা মাটির উর্বরতা উন্নত করতে এবং রাসায়নিক সারের প্রয়োজনীয়তা কমাতে ব্যবহার করা যেতে পারে।যা মাটির ক্ষয়রোধ করতে ও জমির উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সহায়তা করবে।
পরীক্ষাগারে মিথান্যাল বা ফরমালডিহাইড-এর প্রস্তুতি লিখ?
পরীক্ষাগারে অনার্দ্র ক্যালসিয়াম মিথানোয়েটকে শুষ্ক পাতন করে সহজেই মিথান্যাল (ফরমালডিহাইড) প্রস্তুত করা হয়।

(HCOO)2Ca →HCHO+ CaCO₃

উৎপন্ন মিথান্যালকে পানিতে দ্রবীভূত করে দ্রবণ হিসেবে সংগ্রহ করা হয়। এক্ষেত্রে একটি মিথানোয়েটমূলক জারিত হয়ে কার্বনেটমূলকে পরিণত হয় এবং অপর মিথানোয়েটমূলকটি বিজারিত হয়ে মিথান্যাল (ফরমালডিহাইড) উৎপন্ন করে।

শিল্পোৎপাদন প্রণালি- বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মিথানল থেকে হয় সরাসরি বায়ু-জারণ অথবা অনুঘটকীয় ডিহাইড্রোজিনেশন দ্বারা মিথান্যাল উৎপন্ন করা হয়। যেমন- মিথান্যাল বাষ্প ও বায়ুর মিশ্রণকে 600°C তাপমাত্রায় সিলভার ধাতুর উপর দিয়ে চালনা করলে মিথান্যাল উৎপন্ন হয়।

 AgCH3OH 600°C H CHO + H2

 AH = + 176kJ

সিলভার অনুঘটকের দ্বারা ডিহাইড্রোজিনেশনের মাধ্যমে মিথান্যাল তৈরির বিক্রিয়াটি তাপহারী। অপরপক্ষে, বায়ু-জারণ বিক্রিয়াটি তাপ উৎপাদী।
ছাগলের পিপিআর রোগ হয় কেন?
ছাগলের পিপিআর রোগ হওয়ার কারণ কি? 
0 টি উত্তর
পরীক্ষাগারে ইথান্যাল বা অ্যাসিটালডিহাইড প্রস্তুতপ্রণালি লিখ?

মূলনীতি- প্রাইমারি অ্যালকোহলকে নিয়ন্ত্রিত জারণের মাধ্যমে অ্যালডিহাইডে পরিণত করা যায়। তবে লক্ষ রাখতে হবে যেন অ্যালডিহাইড পুনরায় জারিত হয়ে কার্বক্সিলিক অ্যাসিডে রূপান্তরিত না হয়। ইথানলকে পটাশিয়াম/সোডিয়াম ডাইক্রোমেট ও লঘু সালফিউরিক অ্যাসিড দ্রবণ দ্বারা মৃদু তাপে উত্তপ্ত করলে ইথান্যাল বা অ্যাসিটালডিহাইডের বাষ্প উৎপন্ন হয়। এ বাষ্পকে শীতল করে পাতিত তরলরূপে সংগ্রহ করা হয়।

K2Cr2O7 + 4H2SO4

→K2SO4 + Cr2(SO4)3 + 4H2O+3[0]

3H3C-CH2OH + 3 [0]

→3HC-CHO + 3H2O

KCO, CHOH

পানি

  • প্রণালি-

 বরফ শীতল পানিতে নিমজ্জিত একটি বিকারে কিছু পরিমাণ পানি নিয়ে তাতে ধীরে ধীরে তার অর্ধেক আয়তনের গাঢ় H2SO4 যোগ করে অ্যাসিডকে লঘু করা হয়। অ্যাসিড যোগ করার সময় দ্রবণকে কাচদণ্ডের সাহায্যে আস্তে আস্তে আলোড়িত করা হয়। উৎপন্ন লঘু অ্যাসিডকে একটি পাতন ফ্লাস্কে স্থানান্তরিত করে তার মুখে একটি বিন্দুপাতি ফানেল যুক্ত করা হয়। ফ্লাস্কটিকে একটি বালি বাথের উপর বসিয়ে তার পার্শ্বনলে একটি লিবিগ শীতক যুক্ত করা হয়। লিবিগ শীতকের খোলা প্রান্ত বরফে ডুবানো একটি গ্রাহক পাত্রের সাথে যুক্ত করা হয়। অতঃপর ইথানল ও সোডিয়াম (বা পটাশিয়াম) ডাইক্রোমেট দ্রবণ (40% জলীয় দ্রবণ) এর মিশ্রণকে বিন্দুপাতি ফানেলের মধ্য দিয়ে আস্তে আস্তে ফ্লাস্কে যোগ করা হয়। সাধারণত মিশ্রণটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে ফুটতে আরম্ভ করে। তা না হলে মৃদু তাপ দিয়ে মিশ্রণটিকে ফুটতে সাহায্য করা হয়। এরপর শীতকের মধ্য দিয়ে বরফ শীতল পানি প্রবাহিত করা হয়। ফলে সামান্য পানি ও অ্যালকোহলসহ ইথান্যাল পাতিত হয়ে গ্রাহক পাত্রে সঞ্চিত হয়। একে আংশিক পাতন করলে 20°C 22°C. উষ্ণতায় ইথান্যাল পাতিত হয়। সাধারণ কাজের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

লাম্ফি স্কিন ডিজিস হওয়ার কারণ কি?
গরুর শরীরে লাম্ফি স্কিন ডিজিস হওয়ার কারণ কি?
0 টি উত্তর
গরুর ক্ষুরা রোগ কেন হয়?
ক্ষুরা রোগ হওয়ার কারণ কি? 
0 টি উত্তর
পি.পি.আর ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য কি কি?

পি.পি.আর ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য-

  • এই ভাইরাস SS RNA ভাইরাস।
  • এটি আবরণযুক্ত ভাইরাস।
  • এর আনবিক ভর আনুমানিক ৪.৫ × ১০০ ডাল্টন।
  • এটি ষড়ভূজাকৃতি ভাইরাস।
  • এদের ৬ ধরনের প্রোটন থাকে-
১। নিউক্লিও প্রোটিন (N)
২। ম্যাটট্রিক্স প্রোটিন (M)
৩। ফিউশন প্রোটিন (F)
৪। হিমাগুটিনিন প্রোটিন (H)
৫ পলিমারেজ প্রোটিন (P)
৬। লারজ প্রোটিন (L)
  • এদের এন্টিজেনিক বৈশিষ্ট্যও আছে।যেমনঃ-
ক) এই ভাইরাস ৬০° সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় ৬০ মিনিট এবং পিএইচ ৪ থেকে ১০ সলুশনে রেজিস্ট্যান্ড।
খ) অ্যালকোহল ইথার ও ডিটারজেন্টে সংবেদনশীল। এছাড়া নির্বীজকরণ পদার্থ যেমন ফেনোল এবং সোডিয়াম হাইড্রোঅক্সাইড ২৪ ঘন্টার মধ্যে বিনষ্ট হয়।
গ) পিপিআর ভাইরাস ঠান্ডা ও শীতল টিস্যুতে দীর্ঘদিন সক্রিয় থাকে।
মাথা ব্যথার প্রতিকার কি?
কেন হঠাৎ করে মাথা ব্যথা হয়?
0 টি উত্তর
বাঙালি ব্রাহ্মণ্য সমাজে ছড়িয়ে পড়ার কারণ কি?
বর্ম ও সেন বংশের রাজা মহারাজারা প্রায় সবাই ব্রাহ্মণ ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন। তাদের সময়ে বৌদ্ধধর্ম ম্লান হয়ে যায়। বৈদিক যাগযজ্ঞে পৌরাণিক দেবদেবী ও বিশেষ, বিশেষ তিথি নক্ষত্রে স্নান-ধ্যান-দান ক্রিয়াকর্মের প্রচলন শুরু হয়। এভাবে জাতকর্ম, নামকরণ অন্নপ্রাশন, উপনয়ন, বিবাহ, গৃহপ্রবেশ প্রভৃতি সংস্কার বাঙালি ব্রাহ্মণ্য সমাজে ছড়িয়ে পড়ে।
আরও দেখতে, প্রশ্নসমূহের পূর্ণ তালিকা অথবা জনপ্রিয় তকমা এর জন্য ক্লিক করুন

1,569 টি প্রশ্ন

1,557 টি উত্তর

1 টি মন্তব্য

50 জন সদস্য

বাংলা ভাষার উন্মোক্ত শিক্ষামূলক কমিউমিটির মাধ্যমে জ্ঞানকে সমুন্নত করতে যুক্ত থাকুন Jonosheba.net এর সাথে। Jonosheba.net আপনার প্রশ্নের গঠনমূলক উত্তর প্রদানে সর্বদা তৎপর।
1 Online Users
0 Member 1 Guest
Today Visits : 124
Yesterday Visits : 162
Total Visits : 216580
...